আমাদের আলো
ঢাকামঙ্গলবার , ১ মার্চ ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যম
  8. ছোটদের পোস্ট
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. প্রবাস
  13. প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. মতামত

কোলকাতা বইমেলায় দু’দিনব্যাপী পালিত হবে- ‘বাংলাদেশ ডে’

সোর্সঃ সময় টিভি
মার্চ ১, ২০২২ ৩:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ঐতিহাসিক, আত্মিক এবং রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। এরই সূত্র ধরে ৩ ও ৪ মার্চ কোলকাতা বইমেলায় দু’দিনব্যাপী উদ্‌যাপিত হবে- ‘বাংলাদেশ ডে’।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আবেগের-ভালোবাসার-ভ্রাতৃত্বের-সৌহার্দ্যের। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারত কেবল বাঙালি শরণার্থীদের আশ্রয় দান ও খাদ্য সরবরাহই করেনি, ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে তাদের জীবনও উৎসর্গ করেছে।

যুদ্ধোত্তর স্বাধীন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে পালন করেছে অসাধারণ বন্ধুর ভূমিকা। তাই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ঐতিহাসিক, আত্মিক এবং রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিমন্ত্রী আজ বিকেলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার সেন্ট্রাল পার্কে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড আয়োজিত ‘৪৫তম আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তক মেলা ২০২২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

প্রধান অতিথি বলেন, আমি বাংলা ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রভেদ করতে পারি না। দু’বাংলার সম্পর্কের সীমানা দড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়া যায় না। দু’বাংলার সম্পর্ক চিরমধুর। তিনি বলেন, বাংলার সভ্যতা ও সংস্কৃতি মিশে তৈরি হয় বিশ্ব সভ্যতা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরো বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ দু’দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আবার বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাংলাদেশের মতো এপার বাংলায়ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দু’বাংলা হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী এক অভিন্ন বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। দু’বাংলার শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিকে একই সুঁতোয় গাঁথা ও মেলবন্ধনের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে সাংস্কৃতিক বিনিময়। আর এর অন্যতম উপকরণ হচ্ছে পারস্পরিক বইমেলায় অংশগ্রহণ।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কলকাতা পুস্তক মেলা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বইমেলা হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেছে। এটি মূলতঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বইমেলা হলেও বাংলা ভাষাভাষি মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশিদের নিকট এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বইমেলা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃত ও সমাদৃত হয়ে আসছে। কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে মেলাটি একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে।

কে এম খালিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দক্ষ, বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ক্ষেত্রেও সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি এসময় ৪৫তম আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তক মেলা সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই মর্মে মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানীয় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট লেখক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষ, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোসের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী, ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর সুবর্ণজয়ন্তী- এ পাঁচ ঐতিহাসিক ঘটনার সন্ধিক্ষণে আয়োজিত এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলার ক্যাপশন ‍নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘সৃজনে মননে মানবিক দেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নকে সাজানো হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আদলে। এছাড়া কলকাতা বইমেলার প্রধান চারটি প্রবেশদ্বারের মধ্যে তিনটি সাজানো হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত ৩টি বইয়ের আদলে। বইগুলো হচ্ছে- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে মোট ৫০টি স্টলে ৭টি সরকারি ও ৩৫টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৪২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ হাজারের বেশি শিরোনামে থাকছে দুই লাখেরও বেশি বই।

৩ এবং ৪ মার্চ মেলা প্রাঙ্গণে দু’দিনব্যাপী উদ্‌যাপিত হবে-‘বাংলাদেশ ডে’। ৪৫তম আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তকমেলায় থাকছে ৬০০টি বই, ২০০ লিটল ম্যাগাজিন স্টল ছাড়াও অন্যান্য স্টল। মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি হতে ১৩ মার্চ ২০২২ তারিখ পর্যন্ত।

সোর্সঃ সময় টিভি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।