মুক্তিযুদ্ধের গেম ‘মুক্তিক্যাম্প’ অবমুক্ত 0 181

মাইন্ড ফিশার গেমসের প্রধান নির্বাহী জামিলুর রশীদ বলেন, সাধারণত আমরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যখন কোনো কিছু করি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যুদ্ধটাকে প্রাধান্য দেই। এর বাইরেও কিন্তু আরও অনেকভাবে হাজার হাজার মানুষের অবদান রয়েছে। মুক্তিক্যাম্পে সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

গেমটির শুরুতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পরিত্যক্ত একটি গ্রাম দেখানো হবে। সেখানে কয়েকজন মুক্তিকামী বাঙালি একটি ক্যাম্প বানাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। ক্যাম্পে আশপাশের গ্রামের লোকজনকে যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার থেকে শুরু করে রোগমুক্তির জন্য ওষুধ সবই মজুদ করা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানি হানাদার নিধনের পরিকল্পনা। এতে মর্টার মোস্তাক, পাপন বিশ্বাস, অনিলা আবিদসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার দেখা মিলবে। গেইমাররা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে এনে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন। যোদ্ধারা দক্ষ হলে তাদের পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো যাবে।

২০১৩ সাল থেকে গেইম ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ছোট একটি দল তৈরি করে ‘পোর্টব্লিস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন মাশা মুস্তাকিম। এখান থেকেই তৈরি হয় ‘হিরোজ অব ৭১’। এদিকে, ‘গেইম ওভার স্টুডিও’ নামে আরেক গেইমিং প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছিলেন জামিলুর রশিদ। এরপর ‘পোর্টব্লিস’ আর ‘গেইম ওভার স্টুডিও’ এক হয়ে নাম নেয় ‘মাইন্ড ফিশার গেইমস’।

এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী হিসেবে আছেন জামিলুর রশিদ ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা মাশা মুস্তাকিম।

গেমটি শুধু অ্যানড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ফোনে খেলতে হলে কমপক্ষে ১.৫ গিগাবাইট র‍্যামের স্মার্টফোন প্রয়োজন হবে। এর ফাইল সাইজ ৯৫ মেগবাইট। অ্যানড্রয়েড ৪.০২ কিটক্যাট থেকে শুরু করে সর্বশেষ অ্যানড্রয়েড ওরিও ভার্সনের অ্যানড্রয়েড ফোনে গেমটি খেলা যাবে।

গেমটি ডাউনলোড লিংক: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.portbliss.mukticamp

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular Topics

Editor Picks